রামিসা হত্যা মামলা: ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

Cumilla24

৬ ঘন্টা আগে মঙ্গলবার, জুন ২, ২০২৬


#

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। বাকি সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ দুপুর দেড়টায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

পরে পর্যায়ক্রমে ভিকটিমের মা পারভীন আক্তার, বড় বোন, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন এবং কনস্টেবল রোমা আক্তার আদালতে সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মুসা কলিমউল্লাহ তাদের জেরা করেন।

পরে আদালত দুপুর দেড়টা পর্যন্ত কার্যক্রম মূলতবি করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ জানান, বাকি সাক্ষীরাও আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। সময় সংকুলান হলে আজই সব সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হতে পারে।

এর আগে সকাল পৌনে ৯টার দিকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। তাদেরকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের আগে দুই আসামিকে এজলাসে হাজির করা হয়।

সোমবার আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই দিন বাদীসহ ১৭ সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেন। এর আগে একই দিনে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর শিশুটিকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান আসামি স্বপ্না আক্তার। পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে আসামিদের কক্ষের সামনে তার জুতা দেখতে পান। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে কক্ষের ভেতর শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বালতির ভেতরে মাথা দেখতে পান তারা।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্না আক্তারকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় ২০ মে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

global fast coder
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  
Link copied