বজ্রপাতে প্রাণ হারালেন চাচা-ভাতিজাসহ ৪ জন
১ ঘন্টা আগে রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬
বৃষ্টির
সময় বজ্রপাতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও
ফুলছড়ি উপজেলায় চাচা-ভাতিজাসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেল
সাড়ে ৪টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রাম, সাঘাটা
উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রাম এবং ফুলছড়ি উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলে পৃথক
পৃথক এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এর
মধ্যে সুন্দরগঞ্জে নিহতরা হলেন ফুয়াদ হাসান (৩৫), রাফি চৌধুরী (৮) ও মিজানুর রহমান
(১৮)। ফুয়াদ হাসান ওই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর ছেলে, রাফি চৌধুরী ছোটন চৌধুরীর
ছেলে এবং মিজানুর রহমান নবির হোসেনের ছেলে। নিহত রাফি ও মিজান সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা
বলে জানা গেছে।
এ
ঘটনায় একই গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে শামীম (১৭) আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, বিকেলে বৃষ্টির সময় বাড়ির পাশে একটি টিনের ছাপড়া ঘরে গরু নিয়ে আশ্রয়
নেন ফুয়াদ হাসান। এ সময় সেখানে রাফি, মিজান ও শামীমও আশ্রয় নেয়। হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই
ফুয়াদ হাসানের মৃত্যু হয় এবং অপর তিনজন গুরুতর আহত হন।
পরে
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাফি চৌধুরী ও মিজানুর রহমানের মৃত্যু হয়।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান মন্ডল জানান,
বজ্রপাতের ঘটনায় প্রথমে একজন মারা যান এবং আহত তিনজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুইজনের
মৃত্যু হয়।
অপরদিকে,
বিকেলে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতের
ঘটনায় মোহাম্মদ নাব্বার আলী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া,
ফুলছড়ি উপজেলার যমুনা নদীর দুর্গম দেলুয়ার চরে বজ্রপাতের ঘটনায় মানিক মিয়া (৪৫) নামে
এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ঘোড়ার গাড়িতে করে ভুট্টা নিয়ে যাওয়ার সময় বজ্রপাতের ঘটনায়
ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
একই
উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের বুলবুলির চর এলাকায় গরুকে ঘাস খাওয়াতে গিয়ে বজ্রপাতে আলী
আকবর (৭০) নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে গাইবান্ধা
সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।