খেজুরের গুড় আসল না ভেজাল? যাচাই করুন সহজ কিছু ঘরোয়া কৌশলে

Cumilla24

২০ দিন আগে সোমবার, মার্চ ২, ২০২৬


#

শীত এলেই বাঙালির ঘরে ঘরে পিঠা-পায়েসের আয়োজন শুরু হয়। খেজুরের রস আর গুড়—এই দুটিই যেন শীতের অমৃত। শীতের শুরুতেই বাজারে নতুন গুড় উঠতে থাকে, যার মিষ্টি ঘ্রাণ সবাইকে মুগ্ধ করে।

শুধু স্বাদ নয়, গুড় চিনির তুলনায় অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। তাই বিশেষজ্ঞরাও চিনির বদলে গুড় ব্যবহারের পরামর্শ দেন। তবে বাজারে ভেজাল গুড়ের চল বেড়েছে। তাই গুড় কেনার সময় কিছু বিষয় জানা জরুরি।

গুড় কেনার সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন

গুড় ভেঙে একটু চেখে দেখুন। নোনতা স্বাদ হলে ভেজাল থাকতে পারে।

দুই আঙুল দিয়ে চাপ দিন—নরম হলে ভালো, খুব শক্ত হলে এড়িয়ে চলুন।

কেমিক্যালবিহীন গুড়ের রং হয় গাঢ় বাদামি বা কালচে। সাদা, হলুদ বা লালচে হলে বুঝবেন কৃত্রিম রং মেশানো।

অতিরিক্ত চকচকে গুড় সাধারণত চিনি বা কেমিক্যাল মেশানো।

 ঘরে বসে গুড় পরীক্ষার সহজ উপায়

এক গ্লাস পানিতে গুড় দিন:

সম্পূর্ণ মিশে গেলে → আসল গুড়

নিচে তলানি পড়লে → ভেজাল

(ল্যাব পরীক্ষায়) গুড়ে কনসেনট্রেটেড হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড দিলে রং গোলাপি হলে বুঝতে হবে এতে রাসায়নিক আছে।

 গুড়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা

গুড়ে আছে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস।

রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ায়—অ্যানিমিয়ার রোগীদের জন্য উপকারী।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ঠান্ডাজনিত অ্যালার্জি কমায়।

হজম শক্তি বাড়ায়, শরীরের দূষিত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে।

গুড়ের পানি সর্দি-কাশি, হাত-পা ঠান্ডা হওয়া সমস্যায় উপকারী।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ হওয়ায় ত্বক সতেজ রাখে।

ওজন নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক।

 গুড়ের পানি কেন খাবেন?

হালকা গরম পানিতে গুড় মিশিয়ে পান করলে—

হজম ভালো হয়

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে

শরীর ও ত্বক দুটোই উপকৃত হয়

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  
Link copied