বিয়ের একমাসের মাথায় প্রেমিকের সঙ্গে পালালেন নববধূ, ৩ দিন পর মিলল মরদেহ

Cumilla24

১ দিন আগে বুধবার, মে ২০, ২০২৬


#

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিয়ের একমাসের মাথায় প্রেমিকের সঙ্গে পালানার তিনদিন পর সূচনা নামে এক নববধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

রোববার (১৭ মে) বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সূচনা আইনপুর গ্রামের সোহরাব আলীর মেয়ে। 

নিহতের পরিবার জানায়, পালানোর পরে শহরের কলেজপাড়া এলাকায় প্রেমিক সাওয়ালের চাচা ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন বাবুর বাসায় অবস্থান করছিলেন ওই তরুণী। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার করার পর মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে যায় প্রেমিকের পরিবার। পরে সেখান থেকে পালিয়ে যায় সবাই। 

তারা আরও জানায়, একমাস আগে মধুপুর উপজেলার মাইজবাড়ি গ্রামের আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় সূচনার। গত ১৪ মে রাতে ঘাটাইল উপজেলার সত্তুর বাড়ি গ্রামের সরোয়ারের ছেলে প্রেমিক সাওয়ালের হাত ধরে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয় সূচনা। পরে উভয় পরিবারের সমঝোতায় বিয়ের আশ্বাস দেয়া হয় সাওয়াল ও সূচনাকে। শনিবার রাতে তাদের নিয়ে আসা হয় সাওয়ালের চাচা ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন বাবুর বাসায়। রোববার বিকেলে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সূচনার মরদেহ। তড়িঘড়ি করে নেওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পরিবারকে জানানো হয় তার মৃত্যুর বিষয়টি। জানানো হয় পুলিশকেও। পুলিশ হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

সূচনার বাবা সোহরাব আলীর অভিযোগ, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। 

সংগ্রামপুর ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন বাবু জানান, সাওয়াল তার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। সমঝোতার জন্য নিহত তরুণীকে তার বাসায় নিয়ে আসা হয়েছিল। ঘটনার দিন তিনি বাসায় ছিলেন না। 

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) প্রভাষ কুমার বসু জানান, ঘাটাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

global fast coder
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  
Link copied